আরও দেখুন
যখন MACD সূচকটি স্পষ্টভাবেই শূন্যের বেশ নিচে অবস্থান করছিল, তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.1635 লেভেল টেস্ট করেছিল—ফলে এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী প্রবণতার সম্ভাবনা সীমিত হয়ে পড়ে। ঠিক এই কারণেই আমি ইউরো বিক্রি করিনি।
শুক্রবার প্রকাশিত মার্কিন নন-ফার্ম পেরোল প্রতিবেদনের ফলাফল অর্থনীতিবিদদের প্রত্যাশা পূরণ করতে ব্যর্থ হয়, তবে একই সময় বেকারত্ব হার হ্রাস পেয়ে 4.4%-এ নেমে আসার কারণেই স্বল্পমেয়াদে ডলারের দর বৃদ্ধি পায়। তবে দৈনিক ভিত্তিতে ডলারের মূল্যের এই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি—শুরুতে সাময়িক স্থিতিশীলতা দেখা যায়, পরে তা মৃদু দরপতনে পরিণত হয়। বিনিয়োগকারীরা বিবেচনায় নিচ্ছে যে কর্মসংস্থান বৃদ্ধির হার হ্রাস পাওয়ার কারণে যুক্তরাষ্ট্রের জিডিপি প্রবৃদ্ধিও চাপের মুখে পড়তে পারে এবং এর প্রেক্ষিতে ফেডারেল রিজার্ভ মূল সুদের হার হ্রাসের পরিকল্পনাও পিছিয়ে দিতে পারে।
নিকটমেয়াদে মার্কেটের ট্রেডাররা নতুন মার্কিন অর্থনৈতিক প্রতিবেদন ও ফেডের কর্মকর্তাদের বক্তব্যের দিকে দৃষ্টি দিবে—যেগুলো মুদ্রানীতির ভবিষ্যত সম্পর্কে নির্দেশনা দিতে পারে।
অন্যদিকে, ইউরোজোন থেকে আজ শুধুমাত্র সেন্টিক্স বিনিয়োগকারীদের আস্থা সূচক প্রকাশিত হওয়ার কথা রয়েছে। যদিও এই সূচক সাধারণত মার্কেটে বড় ধরনের মুভমেন্ট সৃষ্টি করে না, তবে সামগ্রিক বিনিয়োগ আস্থার চিত্র উপস্থাপন করায় এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন হিসেবে বিবেচিত হয়।
ভূ-রাজনৈতিক ঝুঁকি এখনো মার্কেটের উপর প্রভাব বিস্তার করছে। ভেনেজুয়েলা, গ্রীনল্যান্ড এবং কিউবাকে ঘিরে উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি বিরাজ করছে এবং এক্ষেত্রে যেকোনো ইতিবাচক বা নেতিবাচক পরিস্থিতি ফিনান্সিয়াল মার্কেটে অস্থিরতা সৃষ্টি করতে পারে।
আজ দৈনিক ট্রেডিং কৌশলের ক্ষেত্রে আমি মূলত পরিকল্পনা ১ এবং ২ বাস্তবায়নের উপর নির্ভর করব।
পরিকল্পনা 1: আজ যখন ইউরোর মূল্য 1.1705-এর লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.1677-এর (চার্টে সবুজ লাইন দ্বারা চিহ্নিত) লেভেলে পৌঁছাবে, তখন আপনি ইউরোর লং পজিশন ওপেন করতে পারেন। মূল্য 1.1705-এর লেভেলে গেলে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করব। আজ আসন্ন প্রতিবেদনের ইতিবাচক ফলাফল প্রকাশিত হলে ইউরোর দর বৃদ্ধি পেতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ: এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং সেখান থেকে উপরের দিকে উঠতে শুরু করেছে।
পরিকল্পনা 2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.1653-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি ইউরোর লং পজিশন ওপেন করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। আমরা 1.1677 এবং 1.1705-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি।
পরিকল্পনা 1: EUR/USD পেয়ারের মূল্য 1.1653-এর (চার্টে লাল লাইন) লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করার করার পরিকল্পনা করছি। বিক্রেতাদের জন্য মূল লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.1624-এর লেভেল যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি সেল পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর বাই পজিশন ওপেন করব। আজ আসন্ন প্রতিবেদনের দুর্বল ফলাফল প্রকাশিত হলে এই পেয়ারের উপর উল্লেখযোগ্য চাপ ফিরে আসতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ: বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে।
পরিকল্পনা 2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.1677-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি আজ ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 1.1653 এবং 1.1624-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি।